দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ধর্ষণসহ নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ ঘিরে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, সরকারদলীয় পরিচয়ধারী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ উঠলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে। এসব বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ও সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে ধর্ষনের মতো গুরুতর অপরাধের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সরকার দলীয় লোকজন এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। যার ফলে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
ক্ষমতার প্রভাবে দেশের বেশ কিছু জায়গায় এসব ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করাও যাচ্ছে না। আবার অভিযোগ দায়ের করা গেলেও তদন্ত করে অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা যাচ্ছে না।
বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দীন আহমেদ এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কুনোপ্রকার বিবৃতি প্রদান করেন নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নির্বাচনের আগে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিলেও কার্যত সেগুলোর কার্যকারিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। নারী ও শিশুর অধিকার নিশ্চিত করা কেবল নীতিগত অঙ্গীকারের বিষয় নয়; এটি বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ ও জবাবদিহিরও বিষয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন—ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নের সময়সীমা কী, অগ্রগতি পরিমাপের সূচক কী এবং অসম্পূর্ণ কাজের দায় কে নেবে!
লেখক,
সুমাইয়া ইসলাম, লন্ডন
+44 7440 463135

