Sunday, August 30, 2026
HomeUncategorizedসিলেটে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে তরুণদের প্রাণবন্ত কর্মশালা

সিলেটে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে তরুণদের প্রাণবন্ত কর্মশালা

ধর্মীয় স্বাধীনতা, বহুত্ববাদ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ে তরুণদের সচেতন করার লক্ষ্যে সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঋৎববফড়স ড়ভ জবষরমরড়হ ড়ৎ ইবষরবভ (ঋড়জই) অধিৎবহবংং-জধরংরহম ডড়ৎশংযড়ঢ়
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সিলেট নগরীর আম্বরখানাস্থ ব্রিটেনিয়া হোটেলে দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মশালার আয়োজন করে ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশ, সিলেট জেলা শাখা।
কর্মশালায় সিলেটের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ জন তরুণ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল ঋৎববফড়স ড়ভ জবষরমরড়হ ড়ৎ ইবষরবভ (ঋড়জই) বা ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে তরুণদের ধারণা স্পষ্ট করা, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সম্মান জানানো এবং একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গঠনে তরুণদের ভূমিকা স্পষ্ট করা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধ্যাপক এবং ফোর্ব (ঋড়জই) জেলা ফোরামের সভাপতি আবুল কাশেম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশ-এর সিলেট আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. এহসান মাজিদ সাদী। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন সিলেট জেলা সমন্বয়কারী তাহসিনা রিমা।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন শেখ সোলায়মান, দুর্জয় রায় ও মারুফা আলম মুন।তারা ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুত্ব, ভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের প্রতি পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা, বৈচিত্র্যকে গ্রহণ এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিভিন্ন কার্যকর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, “একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে ধর্ম, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও মতের ভিন্নতাকে সম্মান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ সমাজকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে সমাজে বিদ্যমান বিভাজন ও বৈষম্য কমিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।”
অংশগ্রহণকারী তরুণরা বিভিন্ন আলোচনা, মতবিনিময় ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও বহুত্ববাদ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পান। সমাজে সম্প্রীতি ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে তারা কীভাবে নিজস্ব অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন, সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়।
কর্মশালার সমাপনী সেশনে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র (সার্টিফিকেট) বিতরণ করা হয়। প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন ফোর্ব জেলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক ফয়সল আহমদ বাবলু।
আয়োজক সংস্থা থেকে জানানো হয়, তরুণদের মধ্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা তৈরির মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ বড় ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও তরুণদের সম্পৃক্ত করে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় পোষ্ট