বাংলাদেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, অন্তবর্তি সরকারের সময় মিথ্যা মামলায় আটক সকল সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীর মুক্তি, সাংবাদিক হয়রানি, মতপ্রকাশ এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ, রাজনৈতিক সহিংসতা, হত্যা, ধর্ষণ এবং দেশব্যাপী শিশু বলাৎকার, বিচারহীনতার প্রতিবাদে পূর্ব লন্ডনে আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনার চত্তরে ১৫ জুন ২০২৬ সোমবার লন্ডন সময় বিকেল চারটায় যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ভিক্টিম সাপোর্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউকে-এর উদ্যোগে এক প্রতিবদি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক আজিজুল আম্বিয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ‘র সঞ্চালনয় লন্ডনে অনুষ্টিত প্রতিবাদ সমাবেশে সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, সমাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি সহ ব্রিটেনে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার ডেভিড লি মরগান। লি মর্গান তার বক্তব্যে বলেন, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। আমরা দেখছি প্রতিদিন বাংলাদেশে অহরহ মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটছে। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য হিউম্যান রাইটসের সভাপতি আব্দুল আহাদ চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর পুস্পিতা গুপ্তা, কবি নজরুল ইসলাম অকিব, মানবাধিকার কর্মী তামিম আহমেদ, ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিক, কবি ইমদাদুন খান, সরণ আহমেদ, রেবেকা ইসলাম, তারেক রায়হান, হাফিজুর রহমান, পিকুল শেখ, আব্দুর রশীদ, শরীফ আলম, আল জাবির, সুদীপ্ত শর্মা, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, নুসরাত জাহান পর্না, সামসুদ্দিন নোমান, এমডি মাসুম আহমদ এবং শরীফ আহমেদ প্রমুখ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতা, রাজনৈতিক সহিংসতা, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির সমালোচনা করে অবিলম্বে এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরেন। তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শেষে আয়োজকরা মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদের আন্দোলন ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিজ্ঞপ্তি

